আবেগি আকাশ আর নয়, ফিরে এলাম মাটির পৃথিবীতে (নাজমা তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি)

আবেগি আকাশ আর নয়, ফিরে এলাম মাটির পৃথিবীতে (নাজমা তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি): “প্রিয় নাজমা,

আজ বৈশাখ মাসের ২৭ তারিখ, ১৪১৮ ! মনে পড়ে বৈশাখ মাসের তিন মাস আগে থেকে আমরা ঠিক করে রেখেছিলাম যে আমরা পহেলা বৈশাখে অনেক কিছু করব, অনেক ঘুরবো? কি? আমাদেরতো আর ঘুরতে যাওয়া হয়নি আর একান্তে দেখাও হয়নি! পৃথিবীতেতো অনেক কিছুই হওয়ার কথা থাকে কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়না, তাতে কার কি হয় বল? পৃথিবী তার আপন কক্ষ পথে ঠিকি ঘুরে চলে আহ্নিক গতি আর বার্ষিক গতিরও কোন পরিবর্তন হয় না! তাইতো ঐ আকাশ ফেলে এই মাটির পৃথিবীতে ফিরে এলাম! আকাশ অনেক বেশি ইমোশনাল একটু কষ্ট হলেই বৃষ্টি ঝরিয়ে দেয়! আর এই পৃথিবী কত দু:খ কষ্ট হজম করে ঠিকি দিব্বি ঘুরে চলছে! তোমাকে নিয়েতো আমি ঐ আকাশে থাকতাম কিন্তু আর না, তোমাকে নিয়ে পৃথিবীর মাটিতে ফিরে এলাম আর রায়হানের কাছে তোমাকে পুরপুরি সোপার্দ করলাম! এখন আমি পৃথিবী হয়ে গেলাম, আমিও ঘুরব এখন!

কি ভাবছ, সেই পাগল আমি তোমাকে কেন্দ্র করে ঘুরব?

না না, এই প্রথম তুমি আমাকে ভুল বুঝলে! আমার ভিতর আর তুমি নেই! আমার বুকে এখন শুধুই আমি! নাজমা এটাই তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি, আকাশ থেকেতো নেমে এলাম, ঐ আকাশের নীলে আর আমায় খুজ না, পাবে না কিন্তু! আর আমি চেষ্টা করব এই মাটির পৃথিবীতেও যেন তোমার সাথে আমার আর দেখা না হয়! যদি কোন দিন ভুলক্রমে কোন পথে দেখেও ফেল, ভুলেও ডেক না যেন! আমিতো তোমার ডাকে ফিরেও তাকাব না! কষ্ট পাবে তখন! যদিও তোমার কষ্ট নিয়ে আর ভাবি না আমি, ভাব্ব না আমি! কারন আমার চেয়ে অনেক ভাল একটা ছেলে তোমাকে নিয়ে ভাবে, ভাব্বে সারা জীবন!

তোমাকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তা হয়? তুমি ঠিক মত খাচ্ছ কিনা? তোমার মন খারাপ কিনা! ইত্যাদি ইত্যাদি! তোমাকে নিয়ে দুশ্চিন্তাই আমার জন্য কাল হয়ে ছিল জান?

কি বুঝলে না আমার কথা? দাড়াও বুঝিয়ে বলছি! আমি আমার শত কষ্টেও নিজেকে ধরে রাখতে পারতাম এই ভেবে যে তূমি খুব সুখে আছ! আর সত্যিকারের ভালবাসাতো এইটাই চায় যে, ভালবাসার মানুষটি যেন সুখে থাকে! (যদিও এখন তুমি আমার ভালবাসার মানুষটি আর নও, কিন্তু একদিন ছিলে) আমি যখন ভাবতাম তুমি খুব সুখে রায়হানের মত একটা ভাল ছেলের সাথে সুখেই আছ, তখন তোমাকে হারানোর ব্যাথা আমি অনেকটা ভুলে যেতাম! ভাবতাম তোমার সুখইতো আমার সুখ, কিন্তু না মন বার বার বলত তুমি আমার জন্য মন খারাপ করে বসে আছ! তখন আর নিজেকে শান্ত রাখতে পারতাম না! আচ্ছা বলতো আমার নাজমা যদি কষ্ট পায় আমি কি সহ্য করে থাকতে পারি? তুমি কষ্ট পাচ্ছ ভেবে সারাদিন মন খারাপ করে থাকতাম, কোন কাজে মন বসতো না! নানা রকম আজগুবি চিন্তা করতাম! আর সবচেয়ে বড় যেই খারাপ কাজটা করে ফেলতাম তা হল মহান সৃষ্টি কর্তা, পরম করুনাময় আল্লাহর সাথে অনেক বেয়াদবি করে ফেলতাম!

কি অবাক হচ্ছো?

আসলে বেশি আবেগি যারা তারা মনে হয় আমারই মত পাগল হয়! বোকা হয়! তাইতো আমি কখনই বুঝিনি তুমি আসলে আমাকে কখনই ভালবাসনি, আর বাসলেও তা রায়হানের তুলনায় খুবই নগন্য! কি গোপন ফাস হয়ে গেল? আমি খুবই দু:খিত নাজমা! আমি আসলে এভাবে বলতে চাইনি কিন্তু যখন তোমাকে আমার মনের একদম ভিতর থেকে বলতাম আমি তোমাকে ভালবাসি সেই কথা শুনতেওতো তোমার ভাল লাগতো না! আমি তখন বুঝিনি এখন বুঝি! যখন আমি তোমার সাথে কথা বলতাম তখনতো আমার দৃষ্টি তোমার দিকে থাকতো না! আমার দৃষ্টি তখন আকাশের সীমানা ছাড়িয়ে ওনেক দূরে চলে যেত যেখানে শুধু তোমাকে আর আমাকে নিয়ে আলাদা একটা রাজ্য আছে! আমি যদি তখন মাটির তৈরী এই চোখ জোড়া দিয়ে তোমাকে দেখতাম তাহলে ঠিকি বুঝে যেতাম তোমার হৃদয়ে আলোড়ন তুলছে অন্য কেও যে তোমার পুর্ব পরিচিত! যে ছিল রায়হান! আমি খুব খুশি এই ভেবে যে আমার জমানো সামান্য টাকা দিয়ে তোমাকে তোমার ভালবাসার মানুষের কাছে তুলে দিতে পেরেছি! তুমি আমাকে ভালবাসনি তাতে কি, আমিতো তোমাকে অনেক ভালবেসেছিলাম আর ভালবাসার আমার কালো গোলাপটিকে তার ভালবাসার মাবুষের কাছে পৌছে দিতে পেরেছি! এটাও কি কম পাওয়া বল! তুমি আমাকে যা দিয়েছ, তা সারা জীবন রায়হানের সাথে থেকেও তাকে দিতে পারবে না!

কি ভাবছ?

কি দিয়েছ আমায়? বোকা মেয়ে তুমি এতো জটিল একটা ষরযন্ত্র করলে আর এই সহজ বিষয়টা বুঝলে না?! হ্যা, এবার বুঝেছ! তুমি আমকে অনেক কষ্ট দিয়েছ! নাহলে আমি বুঝতাম না পৃথিবীতে এতো কষ্ট থাকতে পারে! আমি সারা জীবন অভাবে কষ্ট পেয়েছি কিন্তু ভালবাসার কষ্ট যে এতো বেশি তা বুঝিনি আগে! তুমি বুঝালে! জানো, তোমার বিয়ের পর পুর একটা মাস আমি অবাক হয়ে আকাশে দিকে চেয়ে বির বির করে বলাতাম, “এতো কষ্টও পৃথিবিতে আছে” এই কষ্টকে পূজি করে এখন অনেক দূর যেতে চাই আমি, যেতেই হবে আমাকে! আজ অফিসে আসার সময় মনে হচ্ছিল এই পথ যদি কোন এক মরুভুমির পথ হতো যার শেষ হবে পৃথিবীর ঐ পাড়ে যেখানে যেয়ে আমি তোমাকে পাব! তাহলে হাজার বছর লাগলেও আমি হেটেই যাতাম, যতক্ষন তোমার দেখা না পাই! পক্ষনেই মনে হল না, আমি আর হারব না! আমাকে জিততেই হবে!

কি ভাবছো এখনও ভালবাসি তোমায়?

হাহা! ভুল করছ তুমি, আমি আর তোমাকে ভালবাসিনা আর ভালবাসবও না কোন দিন! এই গতো পর্শুও ভেবেছিলাম, যদি আমার নাজমা রায়হান কে ছেড়ে আমার কাছে চলে আসত কতো ভাল হতো! বোকা আমি, স্বার্থপরও আমি! এখন আর এসব ভাবি না! এখন যদি আমার ভালবাসা বুঝতে পার আর রায়হানকে ছেড়ে আমার কাছে চলেও আস বড় ভুল করবে তুমি! কারন আমার এই পৃথিবীতে কিন্তু তোমার ঠায় নেই এখন আর! যখন আকাশে ছিলাম তখন আমার হৃদয়ে তোমার জন্য অনন্ত অবারিত মাঠ ছিল! কিন্তু আমিতো এখন এই মাটির পৃথিবীতে, এখানে তোমাকে আমি আর ঠায় দিতে পারব না! অতএব ভুল করনা যেন! আম ছালা দুটই হারাবে!

সাবধান!

প্রিয় নাজমা,

যদিও আমি তোমাকে এই শেষ চিঠি লিখছি কিন্তু আশা করছি তুমি যেন এই চিঠি না পাও কোনদিন! কি আজব চিন্তা ধারা!

আমাদের স্বাভাবিক আর নিয়মিত সম্পর্ক ছিল তিন মাসের এই মধ্যে তুমি এমন অনেক আচরনই করেছ আর এমন অনেক কথাই বলেছ যা থেকে খুব স্পষ্টই বুঝা যায় তোমার হৃদয়ে রায়হানের স্থান অনেক আগে থেকেই ছিল! হঠাৎ গতো কাল মাঝ রাতে যখন ঘুম ভেঙ্গে যায় তখন যুক্তি দিয়ে পিছনের তিনটি মাস আমি টেনে আনি! পর্যালোচনা করতে করতে সকাল হয়ে যায়, সকালের ফর্সা আকাশের মতো আমার কাছেও অনেক কিছু ফর্সা হয়ে যায়!

প্রিয় নাজমা,

তুমি আসলে রায়হানকে আগেই বিয়ে করতে চেয়েছিলে কিন্তু যৌতুক ছাড়াতো ওর বাবা মা তোমাকে তার সাথে বিয়ে দিতো না! তার উপর তোমার আগে একবার বিয়ে হয়েছিল! নাজমা, তুমি মাত্র এই কয়েকটা টাকার জন্য এতো নোংরা পথ কেন বেঁছে নিয়েছিলে! রায়হানকে যখন এতোই ভালবাস ওকে অন্তত বলতে যৌতুক ছাড়া বিয়েতে তার বাবা মা কে রাজি করাতে! যাই হোক আমি তোমাকে দেখেছিলাম বলে তোমাকে ঐ নোংরা পথ থেকে বের করে আনতে পেরেছিলাম! নাহলে আরো কতদিন তোমাকে ঐ অন্ধ গলিতে থাকতে হতো! মাত্র ৫০০০০ টাকার জন্য! আমিতো তোমার ভালবাসায় পাগোল ছিলাম তাই আমি চাচ্ছিলাম আমি যে সত্যিই তোমাকে সাহায্য করব তা যেন তুমি অবিশ্বাস নাকরো, তাইতো তোমাকে আমি এক লক্ষ্য টাকা দিয়েছিলাম! তোমার জীবন ধারনের সব খরচও তিন মাস ধরে দিয়েছিলাম, যেন তুমি নিশ্চিন্ত হতে পার! আমার জমান বলতে ঐ টাকা গুলই ছিল জান! আমি কিন্তু টাকা নিয়ে কোন কথা বলে তোমাকে ছোট করতে চাচ্ছি না!! আমার উপার্জিত টাকার মাধ্যমে আল্লাহর ইচ্ছায় একটা মেয়ে অন্ধ গলি থেকে বের হতে পেরেছে, সে তার প্রিয় মানুষকে বিয়ে করতে পেরেছে, এটাতো অনেক বড় পাওয়া! কিন্তু সামান্য একটু দু:খ কি জান? তুমি আমার সাথে এতো কমল আচরন না করলেও পারতে! আমি জানি তোমার কোন দোষ ছিল না! একটা মানুষ তোমার জন্য এতো কিছু করছে তার সাথে তুমি ভাল ভাবে কথা বলবে, ভাল ব্যাবহার করবে তাকে কষ্ট দিবে না এটাইতো স্বাভাবিক! কিন্তু সাময়িক কষ্ট লাঘব করতে যেয়ে আমাকে সারা জীবনের জন্য নিস্ব করে দিলে! একবার অন্তত বলতে যে, তুমি রায়হানকে খুব ভালবাস আর ওকেই বিয়ে করবে! তুমি আমাকে সব বল্লেও আমিমতোমার পাশে থাকতাম! যাই হোক পুরন কথা এখন বলে আর কি হবে! আমার ঈমান খুব দুর্বলতো তাই তোমাকে যতই দেখতাম ততোই মুগ্ধ হয়ে ভালবেসে ফেলতাম! একবার তুমি রায়হানের কথা বলেছিলে সেদিন তোমার যেই চাহনি দেখেছিলাম তা স্বাভাবিক ছিল না! আমার আবেগি মন তখন তোমায় পড়তে ব্যার্থ হয়েছিল! গতোকাল রাত থেকে আড়াল হওয়া সব কিছু আমার দৃষ্টির ভিতরে চলে আসছে!

আমার উপলব্ধি গুলো ভাষায় না প্রকাশ করলেও হত! আমি কেন সব বলে দিচ্ছি জান? এখন আমি নিজেকে ভালবাসি! মনের কথাগূলো বের করে দিয়ে তোমাকেও চীর দিনের জন্য বিদায় করে দিচ্ছি! আমি আশা করছি তোমাকে উদ্দেশ্য করে লেখা আমার এই শেষ চিঠি তুমি পড়বে না কোনদিন! কিন্তু যদি পড়েই ফেল, আমাকে তুমি নিশয়ই ঘৃনা করবে! যা আমার জন্য খুবই ভাল হবে!

কি এক বুক ঘৃনা নিয়ে পড়ছ আমায়?

তোমাকে নিশ্চিৎ করার জন্য আবার বলছি! আমি কিন্তু তোমাকে আর বিন্দু মাত্র ভালবাসিনা! নাহ ঘৃনাও করি না! তোমার প্রতি একসময় আমার তিব্র এক অনুভুতি ছিল, সেই ভালবাসার রেখাপাত যেন তোমার উপর না পড়ে! এখন আমার কাছ থেকে তুমি আর কিছুই পাবে না! রায়হানের সাথে এই বিশাল সাগর পাড়ি দেওয়ার প্রস্তুতি নাও! আমাকে নিয়ে ভেব না! তুমি শুধু রায়হান কে পেয়েছ কিন্তু আমি আরো অনেক ভাল কিছু পেয়েছি! গতো ১১ এপ্রিল তুমি যখন বিয়ে করে ফেললে রায়হান কে, ঠিক তার পরদিন ১২ এপ্রিল আমি হাতে কীবোর্ড তুলে নিয়েছি! প্রথম প্রথম তুমি ছাড়া আর কিছুই লিখতে পারছি না! আমারতো লেখা লেখির অভ্যাস ছিল না কখনো! জান তোমাকে ভিন্ন অন্য একটা বিষয় নিয়ে একটা লেখা লিখেছিলাম! কিন্তু কিছুই হয়নি! নতুনতো! আমি আরেকটা কাজ করছি তা আমি পৃথিবীর বুকে আজ থেকে ৪ বছর পর প্রকাশ করব!

কি আমার কিছু জানার আগ্রহ আর নেই?

আমিও জানি নেই! আমিতো এখন আর তোমার জন্য কিছু করিনা! একসময় করতাম, কিন্তু এখন সময় ভিন্ন! এখন আমি সব করি শুধু নিজের জন্য! অনেকটা পথ একা পাড়ি দিতে হবে যে!

প্রিয় নাজমা,

জান, ঐ আকাশটাইতো তোমার কথা বেশি মনে করিয়ে দেয় তাই আজ অফিসে আসার সময় একবারও তোমাকে দেখার আশায় ঐ আকাশে তাকাইনি! দু একবার দৃষ্টি চলে গেলেও ফিরিয়ে নিয়েছি! তূমি আমার পর যেন! আসলেইতো তুমি আমার পর! আরও বেশি করে পর হয়ে যাবে! ধিরে, ধিরে…………… না না অনেক দ্রুতই!

কি চিঠি বড় হয়ে যাচ্ছে?

শেষ চিঠি একটু বড়ই হয়! ইচ্ছে করলে পুরটা নাও পড়তে পার! মূল কথাতো বলেই দিয়েছি তা হল আমি আজ থেকে আর কষ্ট পাব না, কারন আমি জেনে গিয়েছি তুমি আমাকে কখনও ভালবাসনি! আর যদিও আমার প্রতি তোমার কিছুটা দুর্বলতা থেকেই থাকে তার নাম ভালবাসা ছিলনা, অন্যকিছু! তুমি রায়হানকে যতোটা ভালবাস তার তুলনায় আমি অতিব নগন্য! আর হ্যা আমি তোমার কিছুই হতে চাই না আর! আমাকে তুমি এখন যতই ঘৃনা কর আমি কিন্তু তোমার ভালই চাই! তাই বলছি, তুমি রায়হানকে বেশি করে ভালবেস! আমার মতো কষ্ট দিওনা যেন! একসময় ভাবতাম তুমি জীবনে যখনই আমার কাছে আস তোমাকে বুকে টেনে নিব, কিন্তু আমার সেই ইচ্ছে কে আকাশে কবর দিয়ে এসেছি! আমার কাছে আসলেও তোমাকে আর আমি চিনব না! কারন আমার নাজমাকেতো আমি আকাশে রেখে এসেছি! রায়হানকে ভালবেসে সুখে থাকবে! আমিও আমার মতো ঠিকি সুখে থাকব! জান এখন আমার অনেক বন্ধু, আমার এক বন্ধু আমাকে নিয়ে সোনারবাংলাদেশ ব্লগে একটা কবিতাও লিখেছে, জান!? জান না তুমি, তুমি আর কোনদিন আমার কিছুই জানবে না! বিদায়……………………..(বিদায় নিতে মন চাচ্ছে না, কিন্তু যে আমাকে ভালবাসে না আর কোন দিন ভালবাসেওনি তার কাছে কিকরে থাকি বল? অতএব ভাল থেক বন্ধু! আমি আর তোমার কেও না !)

নাজমা তুমি কি আমার চিঠিটি পড়ছো?

নাজমা তুমি কি আমায় শুনতে পাচ্ছো?

নাজমা তুমি কি শেষ বারের মত আমাকে দেখতে পাচ্ছো?

নাজমা,

তুমিতো কোনদিন আমাকে ধরনি, আজ একটু ছুয়ে দাও না!

শুধু একবার চোখের পানি একটু মুছে দিয়ে যাও না!

ভাল থাকার চেষ্টা করো, না থাকলেও আমার কিছু আসে যায় না!

আমি ভাল থাকবো, আমাকে ভাল থাকতেই হবে………………………….

আল্লাহ হাফিজ!

আকাশ নির্ঝর

১০ ই মে, ২০১১

২৭ বৈশাখ, ১৪১৮”

This entry was posted in বিভাগবিহীন by জন. Bookmark the permalink.

One thought on “আবেগি আকাশ আর নয়, ফিরে এলাম মাটির পৃথিবীতে (নাজমা তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি)

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s